একজন লোক মেলায় লাল-সবুজ-হলুদ ইত্যাদি অনেক রঙের বেলুন বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করত। বিক্রি কমে গেলে সে হিলিয়াম গ্যাসে ভর্তি বেলুন আকাশে উড়িয়ে দিত এবং এতে করে তার বিকি বেড়ে যেত। একদিন একটি বাচ্চা ছেলে জিজ্ঞেস করল- 'কালো রঙের বেলুনও কি আকাশে উড়বে?' উত্তরে লোকটি বলল; 'ভাই, রঙের জন্য বেলুন আকাশে ওড়ে না, ভেতরের গ্যাস বেলুনকে। আকাশে ওড়ায়।'
'কপাল ভালো তড়িতাহত হয়ে প্রাণে মরতে হয়নি।'- উক্তিটি পরাশর ডাক্তার করেছিলেন বিদ্যুতের শক লাগার কারণে।
'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পের পরাশর ডাক্তার আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গিসম্পন্ন মানুষ। এ গল্পে নগেন মামার ছবি ধরে প্রচন্ড ধাক্কা খাওয়ার বিষয়টি পরাশর ডাক্তারকে জানালে, তিনি তা পরীক্ষা করতে যান। তিনি রূপার ফ্রেমে বাঁধানো ছবিটিতে হাত দিয়ে স্পর্শ করা মাত্র বৈদ্যুতিক শকে মেঝেতে বসে পড়েন। তারপর মিনিট পাঁচেক চোখ বুজে বসে রইলেন এবং বুঝতে পারলেন যে, তা ইলেকট্রিক শক। দিনের বেলায় মেইন সুইচ অফ করা থাকে। ফলে রুপার ফ্রেমে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় না। তাই তাতে স্পর্শ করলেও শক লাগে না। আবার সন্ধ্যার পর বাড়ির সমস্ত আলো জ্বলে বলে সে সময় ছবিটা ছুঁলে কিছু হয় না। কারণ বিদ্যুৎ তামার তার দিয়ে প্রবাহিত হতে বেশি পছন্দ করে। কিন্তু মাঝরাতে সব আলো নিভে যায়, তখন ছবিটা ছুঁলে শক লাগে। এ বিষয়টির কথা চিন্তা করে পরাশর ডাক্তার প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছিলেন।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?